অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই পুলিশের হাতে ফেঁসে গেলেন

বুধবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২২ | 59 বার

অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই পুলিশের হাতে ফেঁসে গেলেন
ঘটনায় জড়িত মো. মনিরুল ইসলাম ও উদ্ধার করা জাল টাকা

ভোলায় জমিজমা বিরোধের জের ধরে মোটরসাইকেলের সিটের নিচে জাল টাকা দিয়ে অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। ঘটনাটি ঘটে ভোলা শহরের অফিসার পাড়া রেকর্ড রুমের সামনে। মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি)। এ ঘটনায় জড়িত মো. মনিরুল ইসলাম নামের একজনের বিরুদ্ধে জাল টাকার মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটক মনিরুল ইসলাম সদর উপজেলার পৌরআলগী ২ নম্বর ওয়ার্ডের নুর ইসলাম মাস্টারের ছেলে।

আটক মনিরুল ইসলামের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জমিজমা বিরোধের জেরে কাউসার আহমেদ সুজন নামের এক যুবকের মোটরসাইকেলের সিটের নিচে আটটি এক হাজার টাকার ও একটি ৫০০ টাকার জাল নোট রেখে দেন। পরে কাউসার সোমবার আদালতে এলে মনিরুল ইসলাম ডিবি পুলিশকে জানিয়ে তাদের নিয়ে অফিসার পাড়া কালভার্টের কাছে অপেক্ষা করেন। কাউসার এলে পুলিশ তাঁর মোটরসাইকেলের সিট খুলে সাড়ে আট হাজার টাকার জাল নোট পায়। পরে কাউসারকে জিজ্ঞেস করলে কাউসার এ বিষয়ে কিছুই জানে না বলে জানান। এ সময় বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ হলে পুলিশ মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে মনির পুলিশের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে মনিরকে সাড়ে আট হাজার টাকার জাল নোট ও একটি মোটরসাইকেলসহ আটক দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করেন।

dhakarkagoj.com

পুলিশ আরো জানায়, আটক মনিরুল ইসলাম গত কোরবানি ঈদের মাসখানেক পরে লালমোহন উপজেলার ফরাজী বাজার এলাকার ইকবাল নামক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০ হাজার টাকার জাল নোট সংগ্রহ করেন।

ভুক্তভোগী কাউসার আহমেদ সুজন জানান, তিনি সোমবার আদালতে মামলাসংক্রান্ত কাজে আসেন। বাইরে মোটরসাইকেল রেখে তিনি আদালতের ভিতরে যান। এ সময় মনির, হিমু ও সজল তাঁর মোটরসাইকেলের সিটের নিচে জাল টাকা দিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে টাকা উদ্ধার করে তাঁকে নানা প্রশ্ন করে। তখন তিনি বলেন, আমি টাকার বিষয়টি কিছুই জানি না। পরে পুলিশ মনিরকে ডেকে এনে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে মনির নিজের কথাই পুলিশের কাছে ধরা পড়ে যান।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

Development by: webnewsdesign.com