ব্রেকিং

x

বিটাক কর্তৃক নির্মিত ১০ তলা বিশিষ্ট বয়েজ হোস্টেল ভবন উদ্বোধন

সোমবার, ০৮ জুলাই ২০২৪ | 19 বার

বিটাক কর্তৃক নির্মিত ১০ তলা বিশিষ্ট বয়েজ হোস্টেল ভবন উদ্বোধন

বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) কর্তৃক নির্মিত ১০ তলা বিশিষ্ট বয়েজ হোস্টেল ভবন উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। “হাতে-কলমে কারিগরি প্রশিক্ষণে মহিলাদের গুরুত্ব দিয়ে বিটাকের কার্যক্রম সম্প্রসারণপূর্বক আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন সেপা (ফেজ-২)” প্রকল্পের আওতায় এ ভবন নির্মাণ করা হয়।

আজ সোমবার, ০৮ জুলাই ২০২৪ তারিখে আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিটাকের মহাপরিচালক পরিমল সিংহ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা।

শিল্পমন্ত্রী জনাব নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ১০ তলা বিশিষ্ট এই হোস্টেলে ২১০ জন ছাত্রের আবাসনসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এই বয়েজ হোস্টেল নির্মাণের ফলে বছরে সাড়ে আটশ ছাত্রের আবাসন সুবিধাসহ প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হলো। ইতোমধ্যে বিটাকের ঢাকা, বগুড়া, খুলনা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে নারী হোস্টেল নির্মাণের ফলে বছরে দুই হাজার নারীর আবাসন সুবিধাসহ প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বিটাক দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসংখ্য বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের সেপা ও সেইপ প্রকল্পের আওতায় হাতে-কলমে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরাসরি চাকরিতে নিয়োগ এবং নতুন এসএমই উদ্যোক্তা তৈরিতে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ২০০৯ সাল থেকে গত ১৫ বছরে বিটাক প্রায় ৬০ হাজার নারী-পুরুষকে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। উক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্য হতে ১৪ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে সরাসরি চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়েছে। দক্ষ জনবল তৈরি ও বেকারত্ব দূরীকরণে বিটাকের এ সকল উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব জাকিয়া সুলতানা বলেন, বাংলাদেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বিটাকের অবদান অনস্বীকার্য। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিল্পখাতে দক্ষ জনবল তৈরি ও টেকসই প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিটাক এক অনন্য প্রতিষ্ঠান।
বিটাক এর মহাপরিচালক পরিমল সিংহ বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বিটাকের এ প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনের বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যা দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করতে ভূমিকা রাখছে।

Development by: webnewsdesign.com