বিডার সঙ্গে অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত

বুধবার, ৩১ আগস্ট ২০২২ | 16 বার

বিডার সঙ্গে অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত
বিডার সঙ্গে অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে

আগারগাঁওয়ে বিডা’র প্রধান কার্যালয়ে বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে  বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়, বিডার নির্বাহী সদস্য মিজ মোহসিনা ইয়াসমিন ও অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের সিইও রাহাত আহমেদ  নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উক্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন ।

অনুষ্ঠানে বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন,“ বিডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্ততে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে দেশীয় বিনিয়োগকারীরা সহজেই বিদেশী ইকুইটি লাভে সমর্থ হন । তিনি আরো বলেন এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে “বিডা এবং অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ বিনিয়োগের আউটরিচ ডিজাইন করতে একসঙ্গে কাজ করবে যার ফলে  লক্ষ্যবস্তু, কাস্টমাইজড এবং আরও কার্যকর হবে।”

dhakarkagoj.com

অনুষ্ঠানে অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার এবং সিইও  রাহাত আহমেদ, বলেন বাংলাদেশ নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম সেরা গন্তব্য এবং আগামী দশ বছরের মধ্য বাংলাদেশ উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে, তাই উচ্চ প্রযুক্তি সেবা খাতে বিনিয়োগ করে অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ এ উন্নয়ন কে আরো বেশি তরান্বিত করতে চায়।

এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে, টার্গেটেড সেক্টরগুলোতে আরো বিনিয়োগ আকর্ষণ করা যাবে এবং দেশে বিদেশে বিনিয়োগের যৌথ প্রচার,হাই ভ্যালু প্রযুক্তির ব্যবহার বড়াবে ও ইএফডিআই এবং ইক্যুইটি বিনিয়োগ সংক্রান্ত সহায়তা ও পরামর্শের পথ প্রশস্ত হবে।

উল্লেখ্য যে, অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ একটি নিউইয়র্ক ভিত্তিক একটি বিনিয়োগ তহবিল যা বহিঃবিশ্ব থেকে পুঁজি এনে  বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত, অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ ফিনটেক, কৃষি, শিক্ষা এবং লজিস্টিকস সহ একাধিক খাতে বাংলাদেশী স্টার্টআপগুলতে ৪ মিলিয়নের বেশি বিনিয়োগ করেছে। । অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ দলের  সরকারি ও বেসরকারি ইকুইটি, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং নতুন প্রযুক্তি স্টার্টআপ গুলোতে সহযোগিতা ও পরামর্শসহ বিনিয়োগের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের সিইও রাহাত আহমেদ ২০০৪ সালে বাংলাদেশে বিনিয়োগ শুরু করেন।  তিনি প্রিন্স স্ট্রিট ক্যাপিটালে একজন বিনিয়োগকারী হিসাবে তার অবস্থানের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সক্রিয় ছিলেন এবং ২০১৬ সালে, তিনি পাঠাওকে সাহায্য করেছিলেন, যেখানে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৫০ মিলিয়নের বেশি। অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশ এর মূলত আমেরিকান ও ইউরোপীয়।

Development by: webnewsdesign.com