ব্রেকিং

x

দরপত্র প্রকাশে অনিয়ম ?

রুস্তমপুর টোল প্লাজা,রানীগঞ্জ সেতু,ছাতক সেতুর সাপ্লাই,ইনস্টল-কমিশনিং-অপারেশন ও মেইনটেন্সে অনিয়মের অভিযোগ

রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | 63 বার

রুস্তমপুর টোল প্লাজা,রানীগঞ্জ সেতু,ছাতক সেতুর সাপ্লাই,ইনস্টল-কমিশনিং-অপারেশন ও মেইনটেন্সে অনিয়মের অভিযোগ

রুস্তমপুর টোল প্লাজার, রানীগঞ্জ সেতু এবং ছাতক সেতু সাপ্লাই, ইনস্টল, কমিশনিং, অপারেশন ও মেইনটেন্সের দরপত্র প্রকাশে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে তথ্য গোপন করা এবং অবৈধ বিদেশ ট্যুর বাতিল করার অভিযোগ উঠেছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে অভিযোগটি দিয়েছেন এক ব্যাক্তি।

অভিযোগপত্রটিতে তিনি লেখেন, গত ০৬/০২/২০২৪ তারিখে প্রকাশিত রুস্তমপুর টোল প্লাজার, রানীগঞ্জ ও ছাতক সেতু সাপ্লাই, ইনস্টল, কমিশনিং, অপারেশন ও মেইটেন্স দরপত্রটি তথ্য গোপন করে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে EOI প্রক্রিয়া বাতিল করেছে। যেখানে দেশি ও বিদেশি খ্যাতিনামা কোম্পানী অংশগ্রহণ করেছিল। অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কতিপয় ব্যক্তি বা কোম্পানীকে কাজ পেতে সহয়তা করার লক্ষে সিলেট সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ফজলে রব্বে প্রত্যক্ষ নির্দেশে তথ্য গোপন করে দরপত্র আহ্বান করেছেন মৌলভীবাজার রোড সার্কেলের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও সিলেট রোড সার্কেলের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার আহসান উদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য, যে দরপত্রটি তারা প্রকাশ করেছেন সেখানে প্রতিটি কাজের বিবরণ না দিয়ে সম্ভাব্য দাম উল্লেখ করেছেন। কাজের মান নিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রশ্ন যে কোন নির্দিষ্ট ব্যাক্তির প্রতিষ্ঠান কে কাজ পাইয়ে দিতে এমন সফটওয়‍্যার, হার্ডওয়্যার ও অনুসঙ্গিক কাজের বিবরণের তথ্য গোপন করে দরপত্র আহবান করেছে। অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স এর সম্ভাব্য কোনো বাজেট না দিয়ে ঐ স্থানে খালি রেখে দিয়েছে যা উন্মুক্ত দরপত্রে নজিরবিহীন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব জনাব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী, স্যারের নির্দেশ ছিল দেশের সকল টোল একটি ইউনিফাইড সফটওয়ারের মাধ্যমে আদায় করা হবে কিন্তু সেই আদেশ কে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ফজলে রাব্বে নেতৃত্বে দুই তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম ও আহসান উদ্দিন এমন নিয়ম বহির্ভুতভাবে দরপত্র আহ্বান করেছে এবং সরকারি টাকা অপচয় করে সফটওয়‍্যার কেনাকাটার ও বিদেশ ট্যুরের উৎসবে মেতেছেন। অথচ কয়েক মাস আগে EOI এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশী বড় বড় সব কোম্পানি যৌথভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তরুণ উদ্দ্যোক্তা কাজের সুযোগ দেয়ার জন্য সকল সরকারি অফিস সমূহ কে নির্দেশ দিয়েছেন এবং BASIS এর হিসেবে আমাদের দেশে এখন বিশ্বমানের সফটওয়‍্যার তৈরী হচ্ছে এবং বাহিরে রপ্তানি হচ্ছে।

উক্ত দরপত্রটি প্রকাশে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ‘জয়েন্ট ভেঞ্চার’ বিষয়টি বাতিল করে দরপত্র আহ্বান করেছেন জাহাঙ্গীর আলম ও আহসান উদ্দিন আহমেদ। অথচ বিগত বছরগুলোতে যৌথভাবেই দরপত্র কিনেছেন একাধিক কোম্পানী এবং যৌথভাবে কার্যাদেশ দিয়েছে। যার প্রমান বিগত বছরের কার্যাদেশ। অবৈধ দরপত্রটি বাতিল করে পূণরায় ‘জয়েন্ট ভেঞ্চার’ উল্লেখ করে দরপত্র প্রকাশের দাবি জানান তিনি। সেই সাথে দরপত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ফজলে রাব্বে ও দুই তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম ও আহসান উদ্দিন এর অপসারণ করা ও নতুন করে দরপত্র প্রকাশের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী ও প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল হাসানকে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকবার ফোন করলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপর পরিচয় দিয়ে মেসেজ পাঠালেও তিনি সাড়া দেননি।

Development by: webnewsdesign.com