ব্রেকিং

x

শেখ হাসিনার প্রত্যয় বুকে ধারণ করে নিজেকে গড়ে তুলতে হবেঃ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস

বুধবার, ১৭ মে ২০২৩ | 21 বার

শেখ হাসিনার প্রত্যয় বুকে ধারণ করে নিজেকে গড়ে তুলতে হবেঃ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস
শেখ হাসিনার প্রত্যয় বুকে ধারণ করে নিজেকে গড়ে তুলতে হবেঃ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস

জননেত্রী শেখ হাসিনা যে প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল দেশে পরিণত করেছেন তেমনি সে প্রত্যয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে এবং দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে শিক্ষার্থীদেরকে প্রতি আহবান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ বুধবার (১৭ মে) দুপুরে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ কর্তৃক রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এ আহবান জানান।

ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “জননেত্রী শেখ হাসিনা যে প্রত্যয় নিয়ে — একটি গরিব দেশকে আত্মমর্যাদাশীল দেশে পরিণত করেছেন, মাত্র ১৪ বছরে একটি আত্মনির্ভরশীল দেশে পরিনত করেছেন — একজন বাঙালি হিসেবে, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে, বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে আপনাদেরকেও সে প্রত্যয় বুকে ধারণ করে দেশ গঠনে অংশ নিতে হবে। কেউ যেন আমাদেরকে নিচু করে দেখতে না পারে, আমরা যেন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি, চলতে পারি — সেভাবেই নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিতে হবে। তাদেরকেও দেখিয়ে দিতে হবে — আমরাও পারি। উই ক্যান।”

তৎকালীন সরকার বাধ্য হয়েই শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে দিয়েছিলো মন্তব্য করে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “দেশের বাইরে থাকায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা জীবনে বেঁচে যান। কিন্তু বেঁচে গেলেও তারা আর দেশে ফিরতে পারেন না। তাদেরকে শরনার্থীর মতো বহির্বিশ্বে থাকতে হয়। জার্মানি থেকে তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়। তাদেরকে চলে যেতে হয় ইংল্যান্ডে। সেখানে কিছুদিন থাকেন। তারপরে তাদেরকে আশ্রয় নিতে হয় ভারতে। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাদেরকে আশ্রয় দেন। দীর্ঘ ছয় বছর স্বৈরশাসক খুনী জিয়াউর রহমান জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে দেশে ফিরতে দেয়নি। ১৯৮০ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপরেই তিনি অনেকটা জোর করেই বলেন, আমি দেশে ফিরে আসব। আমাকে দেশে ফিরতে দিতে হবে। তারপরেইু খনি জিয়াউর রহমান শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরতে দিতে বাধ্য হন।”

শেখ হাসিনা আমাদেরকে একটি সাম্যের ও ঐক্যের দেশ উপহার দিয়েছেন মন্তব্য করে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “পরিবারের সবাইকে হারানোর পরে সেই বেদনা, কষ্ট, শোক বহন করে, শেখ হাসিনা আজ থেকে ৪২ বছর আগে — ১৭ মে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসেন। তাই আজকের এই দিনটা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তার স্বদেশে আবার ফিরে আসতে পেরেছেন। দেশে ফিরে তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে আজ অবদি পরিশ্রম করে চলেছেন, সংগ্রাম করে চলেছেন। তার এই অসীম সাহসিকতা, নেতৃত্ব, সংকল্প, স্বপ্ন এবং জনগণের প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে এ দেশের জনগণ আবার বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সরকার গঠনের সুযোগ দেয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জন্য অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ গঠন করে দিয়েছেন। আমাদের জন্য একটি ঐক্যের, সাম্যের ও ন্যায্যের দেশে পরিণত করে দিয়েছেন।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও সংগঠনের সাংগঠনিক সচিব ও করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন, উপদেষ্টা সিরাজুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Development by: webnewsdesign.com