সরকার ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে প্রস্তুত হচ্ছে

মঙ্গলবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২০ | 198 বার

সরকার ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে প্রস্তুত হচ্ছে
মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের তালিকা প্রকাশের বিধান যুক্ত করে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২০’ নামে একটি খসড়া আইনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনে শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরির কথা উল্লেখ থাকলেও স্বাধীনতাবিরোধী, আলশামস, আলবদর, রাজাকারদের তালিকা তৈরির কোনো কথা ছিল না। প্রায় এক দশক আগে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর রাজাকারের তালিকা তৈরির দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় গত বছর বিজয় দিবসের আগের দিন সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ১০ হাজার ৭৮৯ জন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর’ তালিকা প্রকাশ করেন। কিন্তু ওই তালিকায় গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নাম আসায় সংশোধনের জন্য তা স্থগিত করা হয়। চলতি বছর জানুয়ারি মাসে সংসদেও এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীকে। খোদ সরকারি দলের সদস্যরাই এ নিয়ে তার সমালোচনায় মুখর হন। সে সময় মন্ত্রী নতুন করে তালিকা তৈরির কথা জানান। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একটি উপকমিটি তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে।

dhakarkagoj.com

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০০২ সালের জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ছিল ।

সেই আইন বর্তমান সময়ের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। তাই মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনের নতুন খসড়া করেছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজাকার বাহিনী ও অন্যান্য আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য হয়ে যারা মুক্তিযুদ্ধের ও দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তাদের তালিকা তৈরি করবে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। কাউন্সিল তালিকা তৈরি করে সরকারের কাছে তুলে দিয়ে প্রকাশের সুপারিশ করবে। এছাড়া যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকছে প্রস্তাবিত এ আইনে।

রাজাকারের তালিকা কীভাবে করা হবে জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, রাজাকারের তালিকা করার বিষয়টি খসড়া আইনে রাখা হয়েছে। আইনে সব বিষয় বিস্তারিত নেই, এগুলো বিধিতে থাকবে। স্বাধীনতাবিরোধী বলতে কী বোঝাবে বিধিতে তা বিস্তারিত থাকবে। কীভাবে এ তালিকা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়নি।

কাউন্সিল মুক্তিযোদ্ধার ‘ভুয়া’ সনদধারীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করবে, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা নির্ভর করবে কেমন অপরাধ তার ওপর। শুধু সার্টিফিকেট নিয়েছে, নাকি অন্য সুবিধা নিয়েছে, নাকি দুটোই নিয়েছে বা তার সন্তানরাও সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন কি না। আইন অনুযায়ী শাস্তির সুপারিশ করা হবে। এ ধরনের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের নিবন্ধন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান সংগঠনের নিবন্ধন, কাউন্সিলের কার্যকলাপ পরিচালনা, অর্থায়ন, তহবিল ও বাজেট কীভাবে হবে, সেসব বিষয়ে খসড়া আইনে বলা আছে।

অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। মন্ত্রিসভাও বলছে, মাস্ক না পরলে কোনো কিছুই সফল হবে না। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মাস্ক নিয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মাঠপ্রশাসন থেকে সাজেশন এসেছে। তারা বলছেন, জেল-জরিমানার পরও মানুষের মধ্যে কাক্সিক্ষত সচেতনতা আসছে না। সেজন্য তারা পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে প্রচার করতে। প্রধানমন্ত্রী উনার (আওয়ামী লীগ) অঙ্গ-সংগঠনে যারা আছেন তাদের সবাইকে ক্লিয়ার ইনস্ট্রাকশন দিয়ে দিয়েছেন যে প্রোগ্রামেই যারা আসবেন, যত যাই করুক অবশ্যই তাদের মাস্ক পরতে হবে। ’

তিনি আরও বলেন, ‘যে ভাবসাব দেখা যাচ্ছে, যেভাবে (করোনা সংক্রমণ) বাড়ছে তাতে এটা আল্লাহ না করুক শীত যদি একটু বেশি পড়ে তাহলে আরও নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট পড়বে। শুধু জেল-জরিমানা করলেই হবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মাস্কটা যেন কাপড়ের দেওয়া হয়, তাহলে ধুয়ে ব্যবহার করতে পারবে। জেলা প্রশাসনসহ মাঠপ্রশাসনের সবাইকে বলে দিয়েছি এখন থেকে তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক দিতে। ’

সরকারি তথ্য কেন্দ্রীয় ডেটা সেন্টারে রাখতে হবে : সরকারি সব তথ্য কেন্দ্রীয় ডেটা সেন্টারে রাখতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বৈঠকে ‘বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড’ শীর্ষক কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন এবং আর্টিক্যাল অব অ্যাসোসিয়েশনের সংশোধিত খসড়া ভূতাপেক্ষ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সবার ডেটা আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) মন্ত্রণালয়ের কালিয়াকৈরের মেগা ডেটা সেন্টারে রাখতে হবে। এমনকি বিদেশিদেরটাও রাখা যাবে। প্রথমে একটা অপারেটিং ফান্ড দেওয়া হচ্ছে। এরপর থেকে সরকার টাকা দেবে না। তারাই ডেটা স্টোর করে যে টাকা-পয়সা পাবে সেটা দিয়েই মেনটেইন করবে এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণ করবে। এটার জন্য বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি করতে হবে। এজন্য আর্টিক্যাল অব অ্যাসোসিয়েশনস লাগবে। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের একটা করে সার্ভার বসায়, এখন থেকে কেউ আর তা পারবে না। সবার ডেটা এই কালিয়াকৈরে ডেটা সেন্টারে কোম্পানির আন্ডারে স্টোর করতে হবে। এটার একটা ব্যাকআপ আছে যশোরে। কোনো কারণে যদি কালিয়াকৈরে ডিজাস্টারও হয়, সব ডেটা যশোরের ব্যাকআপ সেন্টার থেকে উদ্ধার করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা দেখলাম বড় বড় কিছু ডেটা ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছে। কিন্তু এখন থেকে সব সরকারি ডেটা ওখানে স্টোর করা যাবে। ইউরোপীয় একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এ সেন্টার দেখে গেছেন। ইউরোপেও এত বড় ডেটা সেন্টার নেই। তাদের ডেটাও এখানে স্টোর করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রাইভেট সেক্টরের লোকজন অন-পেমেন্টে (টাকা দিয়ে) ডেটা সংরক্ষণ করতে পারবে। ’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে প্রস্তুত হচ্ছে সরকার : চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও নিত্যনতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে একটি বড় টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের টেকনোলজি ও সমস্যার মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করতে শিক্ষা কারিকুলাম পরিমার্জন ও ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্টের (এনএসডি) তত্ত্বাবধানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ মন্ত্রিসভাকে অবহিতকরণকালে এসব সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছি। মন্ত্রিসভায় আইসিটি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে উপস্থাপনা করা হয়েছে। ভবিষ্যৎটা নির্ভর করছে কীভাবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে হ্যান্ডেল করব। এটাকে ঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে না পারলে অসুবিধায় পড়তে হবে। কারণ সব টেকনোলজি, উৎপাদন পদ্ধতি পরিবর্তন হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও জনশক্তি কম লাগবে আবার অন্য জায়গায় লাগবে। জনশক্তিকে সেভাবে ডেভেলপ করতে হবে। তা না করতে পারলে ভবিষ্যতে আমরা টেকনোলজির সব দিক দিয়ে পিছিয়ে যাব। ’

১০টি টেকনোলজিকে পয়েন্ট আউট করা হয়েছে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী দিনে ১০টি টেকনোলজি সারা পৃথিবী বিট করবে। এগুলো হলো অ্যাডভান্সড ম্যাটেরিয়ালস, ক্লাউড টেকনোলজি, অটোনোমাস ভেহিকেল, সিনথেটিক বায়োলজি, ভার্চুয়াল অগমেন্টেড রিয়েলিটি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবট, ব্ল্যাক চেইন, থ্রিডি প্রিন্টিং এবং ইন্টারনেট অব থিংকস বা আইওটি। এ টেকনোলজিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ’

শিল্প বিপ্লবের ক্ষেত্রে তিনটি সমস্যা দেখা দেবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মেশিন বা রোবট অনেক মানুষের কাজকে দখল করে নেবে। এজন্য যারা চাকরি হারাবে তাদের পরিকল্পনা করে অন্য জায়গায় চাকরি দিতে হবে। এটা নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। কারণ জার্মানি হলো চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে সব থেকে অ্যাডভান্স। কিন্তু সেখানে বেকারের সংখ্যা পৃথিবীর সব থেকে কম। দ্বিতীয় সমস্যা হবে আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় যে জ্ঞান আছে তা পরিপূর্ণভাবে ইক্যুপ্ট করতে পারবে না। সেজন্য আমাদের আরেকটু অ্যাডভান্স অ্যাডুকেশনে যেতে হবে। তৃতীয় বিষয় হলো, ফিন্যান্সিয়াল বা ইকোনমিক পলিসিতে কিছু নতুন জিনিস আনতে হবে। কারণ প্রাথমিক বিনিয়োগটা বড় হবে। যার ফলে যারা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা আছে তাদের জন্য একটু অসুবিধা হতে পারে। সেজন্য রাষ্ট্র বা সরকার বা আর্থিকপ্রতিষ্ঠানকে নতুন কর্মসূচি নিয়ে আসতে হবে যাতে এ জাতীয় উদ্যোক্তাদের ব্যাকআপ করা যায়। ’

তিনি বলেন, ‘একটা বড় টাস্কফোর্স গঠন করার প্রস্তাব এসেছে। তারাই সিদ্ধান্ত নেবে এখন থেকেই কীভাবে কোঅপ্ট করব। লেবার শিফটিং হলে কীভাবে শিক্ষা দিয়ে দক্ষ করব। বিশ্বব্যাপী যে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা তৈরি হচ্ছে সেখানে দক্ষ তৈরি করে পাঠানো। টাস্কফোর্স চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের টেকনোলজি ও সমস্যার মধ্যে সামঞ্জস্য করে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন কিছু ঢোকানো এবং ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্টের (এনএসডি) তত্ত্বাবধানে ম্যাসিভ কর্মসূচি গ্রহণ করবে। ’ কারিকুলাম পরিবর্তনে প্রয়োজনে একটা স্টিয়ারিং কমিটি বা জাতীয় একটি কমিটি গঠন করে সুপারভাইজ করে পরামর্শ দেবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে তিনটি সেক্টর থাকবে বায়োলজিক্যাল, ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল। এ তিন সেক্টরেই আমাদের কাজ করতে হবে। এখন স্কাই টেকনোলজি বা স্যাটেলাইট টেকনোলজি ৫০ মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছেছে ৩৫ দিনের মধ্যে। মোবাইল ফোনের মধ্যে কয়েক সেকেন্ডেই সবকিছু সবার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এজন্য তিনটি সেক্টরেই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। একটা সময় আসবে মানুষের শরীরে যদি একটা চিপস দেওয়া যায় তাহলে হাতের মুঠোয় শুধু কি-প্যাড থাকবে। ফোন লাগবে না। এ কি-প্যাড দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ অপারেট করা যাবে। টেকনোলজি ওই লেভেলে চলে যাবে, এজন্য আমাদের এগুলো ইক্যুপ্ট করতে হবে। ’

বৈঠকে প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা এবং দিবসটি উদযাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জারিকৃত এ বিষয়ক পরিপত্রের ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তকরণের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

Development by: webnewsdesign.com